বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ সময়কে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, এই স্বল্প সময়ে বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে রাষ্ট্রদূত “ঐতিহাসিক” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ও তার পরিবার উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পয়লা বৈশাখ, স্থানীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন, ক্রিকেট ম্যাচ এবং নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়েই বাংলাদেশে তার দায়িত্ব শুরু করেছে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করছে। তার ভাষায়, প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের নির্দেশনার আলোকে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ চলছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশ ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে উভয় দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি মার্কিন ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশে সুযোগ সম্প্রসারণেও কাজ চলছে।
নিরাপত্তা ও অভিবাসন ইস্যুতে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি রোধে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষায় অংশীদারিত্ব জোরদার করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাতে নতুন সহযোগিতার অংশ হিসেবে যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ চলছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সবচেয়ে বড় দাতা দেশ হিসেবে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হবে।
শীর্ষনিউজ