আগামী দুদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই কিছু ঘটতে পারে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সম্ভাব্য আলোচনার জন্য পাকিস্তানকেও একটি বিকল্প স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে গত সপ্তাহান্তে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। তবে ওই বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও পাকিস্তানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু নিয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে তিন দশকেরও বেশি সময় পর সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনায় বসেছে লেবানন ও ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে এই বৈঠক শুরু হয়েঠছে। এটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে লেবাননের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরায়েলের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটর। আর মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইকেল ইসা, স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাউন্সেলর মাইকেল নিধাম এবং জাতিসংঘে মার্কিন দূত মাইক ওয়ালটজ। বৈঠকের শুরুতে কর্মকর্তারা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ছবি তোলেন, এরপর তারা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।
মার্কো রুবিও বলেন, এটি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সূচনা। এত জটিল বিষয় কয়েক ঘণ্টায় সমাধান সম্ভব নয়, তবে আমরা একটি কাঠামো তৈরি করতে পারি। এর মাধ্যমে স্থায়ী ও ইতিবাচক সমাধানের পথে এগোনো যাবে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটর বৈঠক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শুধু ভালো কিছুরই প্রত্যাশা করছি।