Image description

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, এক ‘ছাত্রনেতা’ অভিযোগ করেছে, শতকোটি টাকা না কি হাতিয়ে নিয়েছি। শতকোটি নয়, একশত, একশত নয়, এক পয়সা, দেখাক না কেন? কেয়ামত তক সময় দিলাম। রবিবার (৩ মে) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক এক পোস্টে এমন চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, প্রায় মাসখানেক ধরেই আমাকে উসকে দেওয়ার জন্য একটা সম্মিলিত প্রয়াস চলছে। আমার একটা দুর্বলতা হচ্ছে, আমার মেজাজ। এদের অনেকগুলো লক্ষ্যের ভেতর একটা হচ্ছে, যেন আমি মেজাজ হারাই। সেক্ষেত্রে আরো কিছু নোংরামির সুযোগ হবে।

সাবেক উপাচার্য লেখেন, যাইহোক, শুধু একটা কথাই বলতে চাই আমার মেয়াদে প্রতিটি শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডে আমি ছিলাম। আমি খুবই খুশি হব যদি প্রতিটি নিয়োগ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একটা চুলচেড়া তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করা হয়। বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন তারা এটা করতেই পারেন। চেষ্টা করে দেখুক না কেন, সত্যিই কোন অনিয়ম হয়েছে কি না?

তিনি আরও লেখেন, প্রফেসর এ কে এম আজহারুল ইসলামের ইমেরিটাস প্রফেসর নিয়ে যে নোংরামিটা চলছে তা নিয়ে লিখতে রুচিতে বাঁধে। যারা এই ইমেরিটাস প্রফেসরশিপের পক্ষে লিখছেন এমনকি তারাও গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট মিস করছেন। বলা হচ্ছে, উপাচার্য এই নিয়োগ দিয়েছেন। সম্পূর্ণ ভুল। উপাচার্যের ক্ষমতা নেই ইমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার। একটা কঠিন নীতিমালার আলোকে অনেকগুলো ধাপ পার করে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি ধাপেও আমার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সংশ্লিষ্টতা ছিল, পারলে দেখাক। কেয়ামত তক সময় দিলাম। প্রফেসর এ কে এম আজহারুল ইসলামের ইমেরিটাস প্রফেসরশিপের প্রক্রিয়া পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ শুরু করেছিল ২০১৩ সালে। চিঠি সংযুক্ত করে দিলাম।

এ অধ্যাপক বলেন, ৯০ শতাংশ জামাতি, এই কথা আগেও শুনেছি। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে তারা কারা। দেখাতে পারলে মেনে নেব, দেখাতে না পারলে বলব অনর্থক দিবানিশি মিথ্যা না বলাই ভালো। 
কোন দল, কোন নেতা একটি মুহূর্তের জন্যও আমার কাছে প্রশ্রয় পায়নি। কাউকে স্পেইস দিইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নতুন ঘটনা। হজম তখনো হয়নি। এখনো না পাওয়ার বেদনা। 
এখানে থামছি। প্রতিটি ইস্যু নিয়ে লিখব, একটা একটা করে।

সাবেক এ উপাচার্য আরও লেখেন, শয়তানি একটি মুহুর্তের জন্যও থেমে নেই, এইমাত্র উপ-উপাচার্যের একটি বয়ানের ফটোকার্ড নজরে আসল। প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন খান একজন সত্যনিষ্ঠ মানুষ। এমন কোন কথাই তিনি বলেননি। এরা মিথ্যা এবং নোংরামির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এই দায়িত্বে না আসলে এত কদর্যতা কল্পনাও করতে পারতাম না।