Image description

প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছিলেন ভারতের প্রখ্যাত গায়ক কুমার শানু। গায়কের করা এই মামলায় তার পক্ষেই রায় দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, রীতা ভট্টাচার্য যেন কুমার শানুর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোনো মানহানিকর মন্তব্য না করেন। 

গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কুমার শানুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন রীতা ভট্টাচার্য। তিনি দাবি করেন, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তাকে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে এবং সে সময় কুমার শানু পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। এসব মন্তব্যকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন গায়ক। 

শানুর আইনজীবীর ভাষ্যমতে, প্রাক্তন স্ত্রীর এসব মন্তব্যের কারণে গায়কের ব্যক্তিগত ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

মামলা চলাকালীন রীতা ভট্টাচার্য তা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত কুমার শানুর দাবিকে আমলে নিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন যেন রীতা গায়ককে নিয়ে কোনো ধরনের বিরূপ মন্তব্য না করেন। এ ছাড়া কুমার শানু দাবি করেছিলেন যে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত তার মানহানিকর সাক্ষাৎকারগুলো মুছে ফেলতে হবে।

বিতর্কের শুরু হয় অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দের একটি মন্তব্যের পর। একটি রিয়েলিটি শো-তে অংশ নিয়ে কুনিকা কুমার শানুর সঙ্গে তার অতীতের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন। এর পরেই রীতা ভট্টাচার্য এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, বিয়ের পর তিনি যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখনই গায়ক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। সেই সময়ে বিষয়টি নিয়ে তাকে আদালতে পর্যন্ত যেতে হয়েছিল বলে জানান রীতা।