Image description

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রোববার থেকে ব্যাংকের লেনদেনের সময় কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

লেনদেনের জন্য বেলা ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সময় ঠিক করে শনিবার পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দাপ্তরিক কাজে ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

স্বাভাবিক সময়ে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য ৬টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখা হয়।

সরকার ঘোষিত পরিবর্তিত অফিস সূচি অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রমের নতুন সময় ঠিক করার কথা পরিপত্রে বলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সময় কমানোর পাশাপাশি দোকানপাট, বিপণিবিতানহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে জ্বালানি সংকটে পড়েছে প্রায় পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশও জ্বালানি তেল পেতে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে তেল মজুদের খবর আসছে। সরকার মজুদদারি ঠেকাতে অভিযান চালাচ্ছে।

যুদ্ধের অস্থিরতার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও অন্য উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টাও করছে সরকার। সঙ্গে চলছে জ্বালানি সাশ্রয়ের চেষ্টা। সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগও নিচ্ছে সরকার।

বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেছিলেন, “আগামী তিন মাস সরকারি ব্যয় কমানো হবে। এ সময়ে কোনো নতুন যানবাহন, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার সামগ্রী কেনা হবে না।

“অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সভা-সেমিনারে ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমানো হবে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমাতে বলা হয়েছে।”