বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তার ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ রয়েছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করায় দেশবাসীর প্রতি তারেক রহমান ও জিয়া পরিবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, সর্বজন শ্রদ্ধেয় বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সবোর আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শনে তাঁর পুত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানসহ জিয়া পরিবার সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। একই সাথে জিয়া পরিবার বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার ঐকান্তিক অনুরোধ জানিয়েছেন।
মমতাময়ী জন্মদাত্রীর শয্যাপাশে শারীরিকভাবে উপস্থিত না থাকলেও তারেক রহমানের মন সার্বক্ষণিকভাবে রয়েছে মায়ের পাশে, এমন তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, উদ্বিগ্ন মনে মায়ের অবস্থার উন্নতি অবনতির প্রতিটি মুহূর্তের সাথে রয়েছে তাঁর নিবিড় সংশ্লিষ্টতা। মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত তাঁরও আছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো সেটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাঁর একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সূযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর সে বিষয় বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার সেই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই তাঁর পরিবার আশাবাদী।