বেগম খালেদা জিয়া। গোটা জাতির কাছে একটি আবেগের নাম; দল-মত নির্বিশেষে দেশের রাজনীতির অভিভাবক। কেবল দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রীই নন, তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ১৮ কোটি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। দেশবরেণ্য রাজনীতিক বেগম জিয়ার দেশ-বিদেশে রয়েছে কোটি কোটি ভক্ত-অনুরাগী।
গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে এসে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি মূল্যবোধের রাজনীতির ঝা-া উড়িয়েছেন বাংলাদেশের আকাশে। ‘আপোষহীন’ এই নেত্রীর নামে এখনো গ্রামে-গঞ্জে মানুষ মানত করেন; মাজারে শিরনি দেন। ঘরে ঘরে গৃহবধূরা রোজা রাখেন, মসজিদে মসজিদে তাঁর রোগমুক্তির কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হচ্ছে। বাংলার মানুষের ‘হৃদয়ে যার স্থান’ সেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৭৯ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) দেশি-বিদেশি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশ-বিদেশের সবাই। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া চেয়েছে বিএনপি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে কোটি কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন সে সুখবরের অপেক্ষায় গোটা জাতি প্রহর গুনছে। গতকাল রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে শুরু করে সারাদেশের লাখো মসজিদে জুমার নামাজের পর খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তার ওপর যে জুলুম-নির্যাতন হয়েছে তা বর্ণনাতীত।
ভয়াবহ জুলুমের পরও তিনি নীতির প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। ফলে তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে কাটাতে হয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার তার সুচিকিৎসা নিতে দেয়নি। চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বৃহস্পতিবার রাতে ডাক্তাররা জানিয়েছেন যে, তাঁর (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়। রাতে আমি প্রায় দুইটার সময় হাসপাতাল থেকে ফিরেছি। তখনও ডাক্তাররা চেষ্টা করছিলেন, কাজ করছিলেন। আমি অনুরোধ করব আপনারা আশু রোগমুক্তির জন্য দোয়া করবেন, দেশবাসীদের দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি। গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর প্রতি দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তার সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ করে মেডিক্যাল বোর্ডে যেসব চিকিৎসক আছেন তার মধ্যে অন্যতম হলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
বিএনপি ও তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে-পরে তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে যেহেতু মা বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা হঠাৎই বেড়ে গেছে এবং তিনি বেশ কয়েক দিন ধরে হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। তাই প্রয়োজন হলে তার দেশের ফেরা এগিয়ে আসতে পারে। যেকোনো সময় তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন এমন আভাস দিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে এটি সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। তারা বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সার্বক্ষণিক বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন। মায়ের এই অবস্থায় তিনি বেশ উদ্বিগ্ন। তাই প্রয়োজন হলে যেকোনো সময়ই তিনি (তারেক রহমান) দেশে ফিরতে পারেন। সেরকম প্রস্তুতিও আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কোনোকিছুই বলা যাচ্ছে না এবং কাউকে তিনি জানানওনি।
এদিকে তারেক রহমান হঠাৎ করে দেশে ফিরলে তার ফেরাকে স্মরণীয় করে রাখতে খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ দেড় দশক তারেক রহমান যেভাবে দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন, নেতাকর্মীসহ দেশের বিপদাপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে তার সফল নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়েছে, তাতে তিনি এখন সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ফলে তিনি দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার সাথে সাথেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করবে। সকলেই চাইবেন তার দেশে ফেরাকে স্মরণীয় ও স্মৃতিতে অমলিন রাখতে। তাকে স্বাগত জানাতে ছুটে যাবেন এমন প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন দেশের লাখো মানুষ। আর বিএনপি নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন। বিএনপির একাধিক নেতা জানান, তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে মুখিয়ে আছেন তারা।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে তাঁর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডিসেম্বরেই দেশে ফিরবেন। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ আমরা জানি না। সিদ্ধান্ত হলে আমরা দ্রুতই গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়ে দেবো।
বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে দেশে ফেরা এগিয়ে আসতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি কেবল তারেক রহমান সাহেবই বলতে পারবেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন আছেন।
গত রোববার হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রাত ৮টার দিকে জরুরি ভিত্তিতে বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সেখান থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হলে একদিন পরেই আবার করোনারি কেয়ার ইউনিটে নেয়া হয়। এখন সেখানেই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রফেসর শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য প্রফেসর ডা. এফ এম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত কয়েক মাস ধরে ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। রোববার একই সঙ্গে তার বেশ কয়েকটি জটিলতা দেখা দেয়। তিনি বলেন, তার (খালেদা জিয়া) বুকে সংক্রমণ হয়েছে। হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। তিনি জানান, খালেদা জিয়ার হার্টে স্থায়ীভাবে পেসমেকার আছে এবং এর আগে স্ট্যান্টিং করা হয়েছিল। তিনি মাইট্রাল স্টেনোসিসে ভুগছেন। একই সঙ্গে সংক্রমণ হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়ায় খালেদা জিয়াকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
‘বিএনপি’ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হলেও দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলকে গণতান্ত্রিক ধারায় সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলে বেগম জিয়া শুধু একজন রাজনীতিক নন; তিনি একটি আদর্শ-দর্শন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি হাসলে আলোকিত হয় হাজারো মুখ; মুখ ফেরালে লাখো মানুষের জীবনে নামে গভীর অন্ধকার। কর্মময় জীবনে তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের কোটি কোটি মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার বিমূর্ত প্রতীক। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে এসে ৯ বছর এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দেশবাসীর কাছে তিনি ‘আপোষহীন নেত্রী’র খেতাব অর্জন করেছেন। জনগণের ভোটে তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার কোটি কোটি অনুসারী সারাদেশে ছড়িয়ে রয়েছে। মা, মাটি ও মানুষের এই নেত্রী দেশের নারীদের কাছে ‘আইডল’। দেশের জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী তরুণ-তরুণীরা তাঁকে নিয়ে আগামীর স্বপ্ন বোনেন। নতুন প্রজন্ম দেখেন জেগে ওঠার স্বপ্ন। রাজধানী ঢাকার অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে রয়েছে বেগম জিয়ার অনুসারী। শিশু, যুবা, বয়স্ক, বৃদ্ধা সব স্তরের মানুষ খালেদা জিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল; তাকে চেনেন, জানেন, মানেন। তিনি (বেগম জিয়া) রোগে ভুগছেন জানতে পারলেই প্রিয় নেত্রীর রোগমুক্তির জন্য মানত করছেন, আল্লাহর কাছে রোগমুক্তির প্রার্থনা করছেন, রোজাও রাখছেন অনেকেই।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় গতকাল শুক্রবার সারাদেশে জুমার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের অনুরোধ জানানো হয়। এরই অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে মসজিদে নামাজ আদায় করে সবাই দেশনেত্রীর রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্নাসহ বিএনপি নেতাকর্মী ও মুসল্লিগণ। মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডাম অসুস্থ হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে আছে। ডাক্তাররা বলেছেন যে, তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়। সেজন্য আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে গণতন্ত্রের নেত্রী, গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য সারাদেশের জনগণের কাছে জুমার নামাজের পর আমরা সারা দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া চেয়েছিলাম এবং সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়াপল্টনের মসজিদে নামাজ আদায় করে আমরা সবাই দেশনেত্রীর রোগমুক্তির জন্য পরম করুণাময় আল্লাহ তা’আলার কাছে দোয়া চেয়েছি।
মহাসচিব বলেন, আমরা দোয়া চেয়েছি আল্লাহ তা’আলার কাছে তিনি যেন ম্যাডামকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে দেন, সুস্থ অবস্থায় আবার জনগণের মাঝে ফিরিয়ে এসে দেশের মানুষের কাজ করার সুযোগ করে দেয়। আমরা আবারও দেশের মানুষের কাছে তার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি। সবাই ম্যাডামের জন্য দোয়া করবেন।
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এদিন রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার মসজিদে জুমার নামাজের পর বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে রাজধানীর উত্তরায় জেটেবের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাট মডেল জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া, বাঁশখালীতে যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দোয়া ও মোনাজাত, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জামেয়া মাদরাসায় দোয়া মাহফিল, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী কোর্ট মসজিদে দোয়া ও মিলাদ, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দোয়া মাহফিল, খোকসার জানিপুর বাজার মসজিদে দোয়া মাহফিল, ফেনী শহরের ফলেশ্বর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় গণদোয়া মাহফিল, সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, কক্সবাজারের মহেশখালী কুতুবদিয়ায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় মোনাজাত ।
গাবতলীর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া, নারায়ণগঞ্জের হাজীপাড়া জামে মসজিদ ও জামিয়া কুরআনিয়া মিফতাহুল উলূম মাদরাসায় দোয়া ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ, চট্টগ্রামের আনোয়ারা সদর মডেল জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, চট্টগ্রাম মহানগরের কদমতলী বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদে দোয়া, বাকলিয়া থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উচালিয়াপাড়া মাদরাসা মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া মহাফিল, মানিকগঞ্জে দোয়া ও মিলাদ, ঝালকাঠির কালেক্টরেট মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল, রংপুর সাতমাথা জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, একইভাবে ফটিকছড়ি, কালিয়াকৈর, কেন্দুয়া, গোবিন্দগঞ্জ, কালিগঞ্জ-আশাশুনি, মেলান্দহ, বোয়ালমারি, শ্রীনগর, শিবগঞ্জ, রাজবাড়ী, বগুড়া, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর সদর, মৌলভীবাজার জেলা, নওগাঁর নিয়ামতপুর, কাপ্তাই, বাগেরহাট সদর, তিতাস, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, তাহিরপুর, মোংলা, গফরগাঁও, কালাই, বাউফল, রাজাপুরসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা, ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসায় বিশেষ দোয়া, মাহফিল, কুরআনখানি, খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।