(জাগো নিউজের নরসিংদী প্রতিনিধি সঞ্জিত সাহা (বামে) ও অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুল্লাহ)
নরসিংদীর চরাঞ্চলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা ও কানধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সংবাদ করায় জাগো নিউজের সাংবাদিক সঞ্জিত সাহাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) রাত ১১টার ৪৬ মিনিটে নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আসাদুল্লাহর হোয়াটস অ্যাপ নম্বর থেকে ফোন দিয়ে এ হুমকি দেওয়া হয়। তার সঙ্গে এ প্রতিবেদকের প্রায় সাত মিনিট কথা হয়। সেখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
অভিযুক্ত আসাদুল্লাহর বিরুদ্ধে হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১২টি মামলা রয়েছে। তিনি নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল আলোকবালীর ‘ত্রাস ও বালুদস্যু’ হিসেবে পরিচিত। তবে তাকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
শনিবার প্রকাশিত জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, নরসিংদীর চরাঞ্চলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের সদস্যরা। এ সময় সাদা পোশাকে থাকা ছয় পুলিশ সদস্যকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে কান ধরে উঠবস করে মাফ চাওয়ার পর তারা মুক্তি পান বলে জানা গেছে।
হামলার শিকার পুলিশ সদস্যরা সবাই নরসিংদী সদর মডেল থানায় কর্মরত। এ ঘটনার পর পুলিশ, র্যাব ও ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৮০ সদস্যের একটি দল অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন আলোকবালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিব রহমান হাবি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা মিটল, যুবলীগ নেতা মাইনুউদ্দিন, হুমায়ন, হিমেল, ইসমাইল হোসেন একরাম, ছাত্রলীগ নেতা সাজিদ প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে আলোকবালী ইউনিয়নের বাখননগর বীরগাঁও সাতপাড়া এলাকায় একটি মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।