Image description

চলমান যুদ্ধবিরতিতে কূটনৈতিক অচলাবস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। শান্তিচুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় প্রস্তাব আদান-প্রদান চললেও ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি কোনো পক্ষই। তেহরান-ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক দোলাচলের মধ্যে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা নজরদারি ড্রোন।

 

রোববার (২৪ মে) দেশটির হরমোজগান প্রদেশে একটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা ও নজরদারি ড্রোন শনাক্ত করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। পরে সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। উপকূলীয় হরমোজগান প্রদেশটি কৌশলগত হরমুজ প্রণালিবেষ্ঠিত। ফলে এই অঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোনের উপস্থিতি ইরানের নিরাপত্তা উদ্বেগ স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুণ বাড়িয়েছে।

 

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের জানিয়েছে, ইরানি সেনাবাহিনী হরমোজগান প্রদেশে রোববার একটি ইসরায়েলি গুপ্তচর ও নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এরই মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তিসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক আসন্ন হতে পারে বলে প্রত্যাশা বাড়ছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ইরানি নৌবাহিনীর সহযোগিতায় ইসরায়েলি পণ্য, একটি বিধ্বস্ত অরবিটার ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

এদিকে সূত্রের বরাতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রস্তাবিত একটি চুক্তির বিষয় নিয়ে অ্যাক্সিওসে প্রকাশিত প্রতিবেদন নাকচ করে দিয়েছে ইরান।

 

প্রতিবেদন বলা হয়েছিল, প্রস্তাবিত চুক্তিতে উভয় পক্ষের মধ্যে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি, কোনো ট্রানজিট ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের কর্তৃক প্রণালি থেকে নৌ-মাইন অপসারণের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

সংবাদ সংস্থা মেহেরের দাবি, তারা অ্যাক্সিওসের ওই সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে সূত্রটিও। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ওই প্রস্তাবে শর্তগুলো উল্লেখ থাকলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ এসব শর্তে সাড়া দেয়নি।