কাগতিয়া আলিয়া গাউছুল আজম দরবার শরিফের মোর্শেদ, আওলাদে রাসুল (স.) হযরতুলহাজ আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী বলেছেন, যুগে যুগে মানব সম্প্রদায়কে হেদায়েত করার জন্য মহান রাব্বুল আলামিন ধরায় অসংখ্য নবী ও রাসুল প্রেরণ করেছেন।
এ ধারার পরিসমাপ্তি ঘটে প্রিয় নবী হজরত মুহম্মদ (স.)-এর আগমনের মধ্য দিয়ে। নবুয়তের ধারার পরিসমাপ্তির পর বেলায়তের ধারার মাধ্যমে হেদায়েতের এ কাজ আউলিয়ায়ে কেরামগণ আঞ্জাম দিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ধরার বুকে শুভাগমন করেন খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসুল (স.) হজরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (র.)।
যিনি প্রিয় রাসুল (স.) এর বাতেনি নূর তাওয়াজ্জুহ প্রদান করে মানুষকে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে ইনসানে কামেল তৈরিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছেন। রাসুলের বাতেনি নূর ক্বলবে গ্রহণ করার পর এমনভাবে পরিবর্তন হয় যা রীতিমতো বিস্ময়কর।
নবীজির বাতেনি নূরের প্রভাবে মানুষ হালাল-হারাম পৃথক করে চলতে শিখে, এবাদতে এক্বিনে এখলাসের সৃষ্টি হয়, সবর-শোকরে পথ চলার পাথেয় পায়। এই বাতেনি নূর পুরুষরা সামনাসামনি বসে তাওয়াজ্জুহ বিল হাজের মাধ্যমে গ্রহণ করে। মহিলারা তাওয়াজ্জুহ বিল গায়েবের মাধ্যমে নূরে বাতেন গ্রহণ করতে পারে।
শনিবার বেলা তিনটা থেকে মুনিরীয়া যুব তবলিগ কমিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ পূর্ব গেটের সম্মুখস্থ ময়দানে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক এশায়াত সম্মেলনে উপস্থিত লাখো মুসলমানের উদ্দেশে প্রধান মেহমানের বক্তব্যে এসব কথা বলা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ এএমএম বাহাউদ্দীন, মহাসচিব হযরতুলহাজ আল্লামা অধ্যক্ষ শাব্বির আহমদ মোমতাজী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জালাল আহমেদ।
বক্তব্য রাখেন- মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ এরশাদুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ রকিব উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল ও মাওলানা মুহাম্মদ সায়েম।
মিলাদ-কিয়াম শেষে প্রধান মেহমান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।