Image description
 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে বলেছেন,আমাকে আট সালেবলা হয় “র” এর সাথে কাজ করার জন্য।

হাসিনুর তার বক্তব্যে আরো বলেন, আমি তখন র‌্যাবের সিইউ চট্টগ্রামের। আমি রাজি হইনি। আওয়ামী লীগ শুধু  আট সালের শেষে নির্বাচন আসে নাই, আট সালের প্রথম থেকে তারা নির্বাচনী দামামা পুরো দেশটাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল।

সর্বশেষ আমাকে ২০১১ সালে আমার কর্মস্থল অফিস থেকে আমাকে গুম করা হয়। ৪৩ দিন আমাকে হাত পা বেঁধে চোখ বেঁধে তুলে রাখা হয়। সেনাবাহিনীতে আমি সম্মান, নিষ্ঠা, কর্মজীবন পার করেছিলাম।আমার সাহসিকতায় জঙ্গি দমন অনেক ভূমিকা ছিল।

 

তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, আজকে আমি এখানে কথা বলতে পারছি সেই আবু সাঈদের  স্বাধীনতার জন্য আজকে সুযোগ হয়েছে আমার এখানে এসে এই কথা বলার। আমি সবাইকে অনুরোধ করব আপনাদের কোন সন্দেহ থাকে আমার বক্তব্যে, আমাকে প্রশ্ন করবেন। আমাকে হেয় করবেন। আমি কখনও মিথ্যা বলি না। আমি মহান আল্লাহর আস্থা নিয়ে।

আমার সাহসিকতা সেনাবাহিনীর একজন অফিসার হিসাবে ৩৪ বার বিভিন্ন সংঘর্ষে জড়িয়েছে। জঙ্গি দমনে ভূমিকা ছিল প্রসংশনীয়। আমি তিনটা খেতাবের অধিকারী। কিন্তু আমার সাথে  আওয়ামী সরকারের আচরণ লজ্জানীয়। 

আট সালে আমাকে বলা হয় “র” এর সাথে কাজ করার জন্য। আমি তখন চট্টগ্রামে। আমি রাজি হইনি। গড়িমসি বিভিন্ন জায়গা থেকে রিকোয়েস্ট অনুরোধ ভয় ভীতি ছিল। আমি রাজি হইনি। কারণ আমার দেশের যারা শত্রু তথাকথিত শত্রু তাদের সম্বন্ধে আমরা তথ্য তেমন পেতাম না। বিদেশি শত্রুরা তাদের স্বার্থ কায়েম করতে ঠিকই কিন্তু আমাদের অনেক উপকারও করত।

একই সাথে আমাদের চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা ইস্যুর সামরিক সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার ছিল। সব কিছু করতাম আমি  ডিজিএফআইয়ের তত্ত্বাবধানে। যাই হোক সেই বিষয়গুলি যত অপরাধই হোক না কেন আপনার গুম করতে পারেন না। এই অধিকার সেনাবাহিনীকে কেউ দেয়নি বা কোনও সংস্থাকে দেওয়া হয়নি। আপনার গুম করলেন, টর্চার করলেন। তারপর সেনাবাহিনীর অফিসার বলছেন, আমাকে সর্বমোট সাত মাস ১০ দিন রেখে কোর্ট মার্শাল করলেন।