ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ ইতিহাসে বৃহত্তম আসর হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে কোটি মানুষের এই মহামিলন শুধু ক্রীড়াজগতেই উন্মাদনা তৈরি করেনি, বরং মহামারী বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বিজ্ঞানীদের জন্য এক বড় ধরনের ‘এপিডেমিওলজিক্যাল চ্যালেঞ্জ’ বা রোগতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
সিএনবিসির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে ইবোলা ও হাম শনাক্তে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধ ঘটানো হয়েছে। রোগ শনাক্তকরণে বিজ্ঞানীরা দুটি মূল প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন—
ওয়েস্টওয়াটার সার্ভিল্যান্স
স্টেডিয়াম ও ফ্যানফেস্ট এলাকার বর্জ্যপানি পরীক্ষা করে ভাইরাসের আরএনএ বা ডিএনএ ট্র্যাকিং করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তির শরীরে লক্ষণ প্রকাশের আগেই বর্জ্যপানিতে পিসিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা সম্ভব।
ডিজিটাল এপিডেমিওলজি
এপিডেমিওলজিস্টরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ইন্টারনেটের সার্চ ট্রেন্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ডেটা স্ক্রিন করছেন। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জ্বর বা র্যাশের মতো উপসর্গের সার্চ বেড়ে গেলে সেখানে দ্রুত মেডিকেল রেসপন্স টিম পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।