Image description

ডেঙ্গু প্রধানত এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর মশাটি ডেঙ্গু ভাইরাসে সংক্রমিত হয়। এরপর ওই সংক্রমিত মশাটি কোনও সুস্থ মানুষকে কামড়ালে, সেই সুস্থ ব্যক্তিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। 

সংক্রমণটি মূলত যেভাবে ঘটে

এডিস মশা সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার আগে দিনের আলোতে কামড়াতে বেশি পছন্দ করে। মশাগুলো ময়লা পানিতে নয়, বরং বাড়ির ভেতরে বা আশেপাশে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে (যেমন—টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, বা ফ্রিজের নিচে) ডিম পাড়ে।

ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে

ডেঙ্গু সরাসরি একজন মানুষ থেকে অন্য মানুষের শরীরে ছড়ায় না। এটি ছড়াতে অবশ্যই বাহক হিসেবে মশার প্রয়োজন হয়। খুবই বিরল ক্ষেত্রে সংক্রামিত রক্ত গ্রহণ, অঙ্গ প্রতিস্থাপন, বা সুইয়ের মাধ্যমেও ডেঙ্গু ছড়াতে পারে। এ অবস্থায় এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য আপনার আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।

 

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মামুনুর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ডেঙ্গু সাধারণত এডিস মশার কামড় থেকে ছড়ায়। এডিস মশার ডিম তিন বছর পর্যন্ত জীবন্ত থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডিম যদি পানির সংস্পর্শ পায় তাহলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এটি পরিপূর্ণ মশায় পরিণত হয়। যে মশা ডিম পেড়েছিল, সেটির দেহে যদি এডিস বা ডেঙ্গুর ভাইরাস থাকে তাহলে ওই ডিম থেকে যে মশাটি হবে সেটির মধ্যে ওই ভাইরাস থাকবে। ওই মশা কাউকে কামড় দিলে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবেন।’