Image description

ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার অফিস শেষ হওয়ার পর থেকেই জনবহুল রাজধানী ঢাকার চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে।

বিকেল থেকেই গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই সড়ক ও রেলপথে নানা ভোগান্তির মুখে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা।

একদিকে রাজধানী ছাড়ছে লাখো মানুষ, অন্যদিকে কোরবানির পশুবাহী শত শত ট্রাক ঢাকায় প্রবেশ করছে। দ্বিমুখী এই চাপের কারণে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের বেসামাল দশা তৈরি হয়েছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের বছরগুলোর মতো এবারও মাত্র তিন-চার দিনের ব্যবধানে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়বে। সীমিত গণপরিবহন ও বর্তমান অবকাঠামো দিয়ে এই বিশাল চাপ সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি গতকাল বলেছেন, আমরা যারা দায়িত্বে আছি, আমাদের তখনই ঈদ মনে হয়; যখন শুনি ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছে। সড়ক ফাঁকা হয়েছে।

বিকেল ৪টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও গণসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে আমার দাবি, এই ঈদযাত্রায় যেন হাজার হাজার মানুষ স্বস্তিতে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছুতে পারে। এই চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের এটাই একমাত্র সহজ মাধ্যম। আমরাও এই সড়ক দিয়েই যাই।

হাজার হাজার মানুষ যাতে আপনাদের এই এলাকা দিয়ে নিরাপদে, ভোগান্তিহীনভাবে যাত্রা করতে পারেএই বিষয়টি নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেন। আপনারা সাধারণ মানুষ ও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যদি আমাদের জন্য এই কাজটা করেন, তাহলে আমরাও কথা দিচ্ছি, আপনাদের দাবিগুলোও আমরা বাস্তবায়ন করব।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বেশ কিছু স্থানে সড়কে ত্রুটি রয়েছে। আমরা এই সড়ক দ্রুত সংস্কার করে ফেলার ব্যবস্থা করেছি। ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। অনেক স্থানে কিছু ত্রুটির কারণে ভোগান্তি হতে পারে। আমরা যতটা সম্ভব ত্রুটিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত করেছি বা করা হচ্ছে। চন্দ্রা এলাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া গাড়িগুলো যখন নির্বিঘ্নে যমুনা সেতু পর্যন্ত পৌঁছে যায় তখন আমাদের অনেকটাই শান্তি লাগে। এ অঞ্চলে কর্মজীবী মানুষ বছরে এই দুটো উৎসবেই পরিবারসহ বাড়ি গিয়ে থাকে। তাদের এই যাত্রা আমাদের সবার প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ করতে হবে।

ঢাকার প্রবেশপথে ভোগান্তির মূলে পশুর হাট : রাজধানী ছাড়তে শুরু করা ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রার শুরুতেই ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। এবার রাজধানীতে অন্তত ২৭টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর আয়োজন চলছে। এত বিপুলসংখ্যক পশুর হাট অতীতে কখনো বসানো হয়নি। যানজট ও জনভোগান্তির কথা চিন্তা করে সব সময় পশুর হাট কমানোর চেষ্টা করা হলেও এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। এই বাড়তি পশুর হাটের কারণে ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরো ব্যাপক হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ঢাকার অন্যতম প্রধান প্রবেশ ও বহির্গমন পথ গাবতলী পশুর হাটের কারণে এবারও তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে। এই হাটের প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়ছে দূরপাল্লার পরিবহনের ওপর। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, গাবতলী পশুর হাটের যানজটে খেসারত দিতে হবে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৫ জেলা ও ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার যাত্রীদের। আমিনবাজার থেকে গাবতলী পার হতেই এক একটি যানবাহনের ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অপচয় হচ্ছে।

উত্তরের প্রবেশপথে সমস্যা হচ্ছে  খিলক্ষেত বাজারসংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের জায়গায় ইজারা দেওয়া পশুর হাট। এক কোটি ৫১ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া এই হাটের কারণে খিলক্ষেত, বিমানবন্দর ও সংলগ্ন এলাকায় যানবাহনের গতি একেবারেই ধীর। এর ফলে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চল থেকে যেসব যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করছে, সেগুলো খিলক্ষেত এসে তীব্র যানজটের মুখে পড়ছে।

যানজট এড়াতে রাজধানীর ধানমণ্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকার যেসব মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বছিলা ব্রিজ দিয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, তারাও কিছুটা বিপাকে পড়েছে। মোহাম্মদপুরের বছিলার ৪০ ফুট সড়কসংলগ্ন খালি জায়গায় এক কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার ৪৫৬ টাকায় বিশাল গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই হাটের কারণে বছিলা রোড ও ব্রিজের সংযোগ সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী যাত্রীদের ঈদযাত্রাকে শুরুতেই থমকে দিয়েছে।

এ বিষয়ে নগর ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ আদিল মুহাম্মদ খান কালের কণ্ঠকে বলেন, মহাসড়কের পাশে গরুর হাট বসানো দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবেই যানজটের সৃষ্টি হয়।

মহাসড়কে যানবাহনের দ্বিগুণ চাপ, গজারিয়ায় ১৩ কিমি যানজট : গতকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবং দ্রুত টোল আদায়ে মোটরসাইকেলের জন্য পৃথক বুথসহ মোট ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হচ্ছে। দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত গাড়ি সরাতে রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে পশুবাহী ট্রাক ও ঘরমুখো মানুষের অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গজারিয়া অংশে গতকাল প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের কারণে স্থবির হয়ে পড়ে যানবাহন চলাচল, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।

বিকেল থেকে বাস টার্মিনালগুলোর টিকিট কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এরই মধ্যে দূরপাল্লার গন্তব্যের ২৫ ও ২৬ তারিখের সব টিকিট অগ্রিম বিক্রি হয়ে যাওয়ায় অনেকে বিকল্প ব্যবস্থা পাওয়ার চেষ্টা করেন।

মহাখালী বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে কমিটির সদস্যরা নজর রাখছেন। সব মিলে এবার ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

তবে যাত্রীদের অভিযোগ, ২৫-২৬ তারিখের নিয়মিত টিকিট না পেয়ে অনেকেই দালালের খপ্পরে পড়ছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে লোকাল ও ফিটনেসবিহীন বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা দেখা গেছে। বাসের টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষকে পশুবাহী ট্রাকের ফিরতি ট্রিপে চড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে দেখা যায়।

মহাসড়কে ৯৪টি ঝুঁকিপূর্ণ স্পট চিহ্নিত : দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ৯৪টির বেশি যানজটপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। এই ৯৪টি স্পটের মধ্যে রয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আটটি, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাতটি স্পট, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সাতটি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি।

এসব স্পটের মধ্যে যানজট পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ হতে পারে সাভারের আশুলিয়ার বাইপাইল, কাঞ্চন সেতুর সংযোগ সড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ের কিছু অংশ, কাঁচপুর সেতুর কাছে যাত্রামুড়া এলাকা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায়।

এ ছাড়া চন্দ্রা ত্রিমোড়, দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, নবীনগর, সাভার বাজার, হেমায়েতপুর, আমিনবাজার, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, টঙ্গী ব্রিজ, আবদুল্লাহপুর, গাজীপুর চৌরাস্তা; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, গোড়াই, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়ক, সিরাজগঞ্জ রোড, হাটিকুমরুল গোলচত্বর, নলকা সেতু এলাকা, বগুড়া বাইপাস, গোবিন্দগঞ্জ, রংপুর মহানগর প্রবেশমুখ; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ও গোমতী সেতু, দাউদকান্দি, কুমিল্লা পদুয়ার বাজার, ফেনী মহিপাল, চট্টগ্রামের অক্সিজেন মোড়; মাওয়া চৌরাস্তা, শিবচর, ভাঙ্গা, ফরিদপুর কানাইপুর এবং বরিশাল নথুল্লাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার প্রবেশমুখ ও বাস টার্মিনালগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণে সড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে খানাখন্দ সংস্কার করে সড়ককে চলাচল উপযোগী করতে হবে।

আড়াই ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে ট্রেন, মন্ত্রীর দাবি—‘স্মুথলি চলছে : ঈদযাত্রার শুরুতেই রেলপথে দেখা দিয়েছে সময়সূচি বিপর্যয়। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুরু হওয়া ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনেই আন্ত নগর ট্রেনগুলো শিডিউল জটিলতায় পড়েছে। গতকাল সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, লালমনিরহাট থেকে আসার পথে বগুড়ার একটি স্থানে বুড়িমারী এক্সপ্রেসে সমস্যা দেখা দেওয়ায় পরবর্তী সময়ে নীলসাগর, রংপুর এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনেও ২০ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দেরিতে ছাড়ে।

ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে দীর্ঘ সময় ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর ও বিলম্বের তথ্য স্পষ্ট না করায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কমলাপুর স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা।

ট্রেনের যাত্রী মাহমুদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সকাল থেকে স্টেশনে বসে আছি আমরা। ট্রেনের কোনো তথ্যই আমরা পাইনি। স্টেশনে প্রচণ্ড গরম। এ অবস্থায় অপেক্ষায় থাকাটা কষ্টকর।

এ বিষয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, লালমনিরহাট থেকে আসার পথে বগুড়ার একটি স্থানে বুড়িমারী এক্সপ্রেসে সমস্যা দেখা দেয়। সে কারণে কিছুটা দেরি হচ্ছে। এ ছাড়া নীলসাগর আর উত্তরবঙ্গের কয়েকটি ট্রেন দেরি হয়েছে; চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে সমস্যা হলে সেটি তো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

তবে গতকাল সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে এসে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম দাবি করেন, সামগ্রিকভাবে ট্রেন চলাচল স্মুথলি চলছে এবং কেবল কয়েকটি ট্রেন কিছুটা বিলম্বের শিকার হয়েছে। সকাল থেকে তিনটি ট্রেন কিছুটা দেরি করেছে। এর মধ্যে একটি ট্রেনের চাকা (হুইল) লাইনের ওপর থাকা খড়ের কারণে স্লিপ করেছিল। পরে রিলিফ ট্রেনের সহায়তায় সেটি উদ্ধার করা হয়। এ কারণে কয়েকটি ট্রেন ২০ মিনিট থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদযাত্রায় বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটবে না। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৩২ হাজার যাত্রী আন্ত নগর ট্রেনে ভ্রমণের সুযোগ পায়। ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করে আরো প্রায় চার হাজার যাত্রীর যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।