সিলেট ‘ডিএনএ’ রিপোর্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিশু ফাহিমা হত্যার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে দাখিল করা হবে, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, একটি দুগ্ধপোষ্য বাচ্চার ওপর এই ধরনের নৃশংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামে শিশুটির পিত্রালয়ে যান। এতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী নিহত ফাহিমার বাবা-মায়ের সাথে কথা বলেন। তিনি বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন।
এসময় তাঁর সাথে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৬ মে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) জালালাবাদ থানাধীন সোনাতলা গ্রামে শিশু ফাহিমা আক্তার নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ১১ মে রাতে শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় জড়িত জাকির আহমদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ফাহিমাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায় স্বীকার করেন।