সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী শনি ও রাহুর প্রভাবে কিছু নির্দিষ্ট জন্মসংখ্যার মানুষের প্রেম ও বিবাহজীবনে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। মনের মতো জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে তাদের সময় বেশি লাগে, আবার সম্পর্কে জড়ালেও ভুল বোঝাবুঝি, বিচ্ছেদ বা আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
জন্মসংখ্যা ৪
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী জন্মসংখ্যা ৪-এর অধিপতি গ্রহ রাহু। রাহু আকস্মিকতা ও বিভ্রমের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এই সংখ্যার ব্যক্তিরা সাধারণত প্রথাবিরোধী ও স্বতন্ত্র স্বভাবের হন, ফলে সহজে সবার সঙ্গে মিশতে পারেন না।
তাদের প্রেমের সম্পর্কে সততা ও অনুগত্য থাকলেও ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনেক সময় আকস্মিকভাবে সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে বা প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকিও থাকে বলে ধারণা করা হয়। জীবনে হঠাৎ বাধা বা দেরির কারণে বিয়েও বিলম্বিত হতে পারে।
জন্মসংখ্যা ৭
জন্মসংখ্যা ৭-এর অধিপতি গ্রহ কেতু। এই সংখ্যার ব্যক্তিরা সাধারণত অন্তর্মুখী ও আবেগপ্রবণ হন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা তাঁদের জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হয়।
একাকিত্বপ্রিয় স্বভাবের কারণে অনেক সময় তাদের বিয়ে বা স্থায়ী সম্পর্ক গড়তে দেরি হয়।
জন্মসংখ্যা ৮
জন্মসংখ্যা ৮-এর অধিপতি গ্রহ শনি। শনি কর্মফলদাতা হিসেবে পরিচিত। এই সংখ্যার ব্যক্তিরা বাস্তববাদী, গম্ভীর এবং সংযত স্বভাবের হন। তবে আবেগ প্রকাশে সংযম থাকার কারণে সঙ্গীরা তাঁদের ভুল বুঝতে পারেন।
ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। অনেক সময় একতরফা ভালোবাসা বা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও হতে পারে। তবে দেরিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক সাধারণত স্থায়ী ও দৃঢ় হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
কীভাবে হিসাব করবেন?
আপনার জন্মের তারিখটি যদি দুই অঙ্কের হয়, তবে সেই সংখ্যা দুটির যোগফল একক অঙ্ক না হওয়া পর্যন্ত যোগ করতে হবে। যেমন-
১) যদি আপনার জন্মতারিখ ১২ হয়, তবে জন্ম সংখ্যা হবে (১+২ = ৩)।
২) যদি আপনার জন্মতারিখ ২৯ হয়, তবে হিসাবটি হবে (২+৯ = ১১)। এরপর আবার ১১ ভেঙে (১+১ = ২)। এক্ষেত্রে আপনার জন্ম সংখ্যা ২।
তবে জন্ম তারিখ সরাসরি ১ থেকে ৯ এর মধ্যে হলে যোগ করার প্রয়োজন নেই। যেমন, কারো জন্ম ৫ তারিখ হলে জন্ম সংখ্যা ৫।